Friday, July 3, 2015

চুল পড়ার সমস্যা চিরতরে দূর করুন মাত্র ২ টি কার্যকরী উপায়ে


যে কোনো ঋতুতেই চুল সংক্রান্ত সব চাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা। বিশেষ করে এই বর্ষাকালে চুল পড়ার সমস্যা অনেক বেড়ে যায়। স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ার সহসা চুল শুকাতে না চাওয়ার কারণে চুলের গোঁড়া নরম হয়ে এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া ছোট্ট কিছু সমাধানই যথেষ্ট। আজকে জেনে নিন চুল পড়ার সমস্যা চিরতরে দূর করতে কি কি করতে পারেন।

১) নারকেলের দুধ

নারকেলের দুধ চুলের ভেতর থেকে চুলকে মজবুত করতে সহায়তা করে। চুলের সঠিক ন্যারিশমেন্টের জন্য নারকেল দুধের বিকল্প নেই। এছাড়াও নারকেলের দুধ ডিপ কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে।
  • – প্রথমে নারকেল কুরিয়ে নিন। এরপর এই কোরানো নারকেল ব্লেন্ডারে বা গ্রাইন্ডারে অথবা পাটায় বেটে নিন ভালো করে।
  • – এরপর পিষে বা বেটে নেয়া নারকেল একটি পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে রেখে চিপে ভালো করে নারকেলের দুধ বের করে নিন। (নারকেলের দুধ বের করার পর নারকেল ফেলে না দিয়ে চিনি বা গুঁড় মিশিয়ে মিষ্টি খাবারে ব্যবহার করতে পারেন)
  • – প্রয়োজনে প্রতিদিন এই নারকেলের দুধ চুলের গোঁড়ায় ভালো করে ম্যাসেজ করে নেবেন। অতিরিক্ত চুল পড়তে থাকলে প্রতিদিন ব্যবহার করুন, যদি অতিরিক্ত না হয় তাহলে সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করলেই ভালো ফল পাবেন।

২) মেহেদী, ডিমের সাদা অংশ ও টকদই

মেহেদীর নির্যাস চুলের জন্য অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর, ডিম মাথার ত্বকে সঠিক পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করে এবং চুলের ফলিকল মজবুত করে। টকদই চুল ও মাথার ত্বক ময়েসচারাইজ করে চুল পড়া বন্ধে সহায়তা করে।
  • – মেহেদী পাতা বাটা বা গুঁড়ো চুলের ঘনত্ব ও লম্বা অনুযায়ী নিন, এতে মেশাম ১ টি ডিমের সাদা অংশ এবং ২-৩ টেবিল চামচ টকদই।
  • – যদি চুল অনেক শুষ্ক হয় তাহলে ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল দিয়ে ভালো করে হেয়ার প্যাক তৈরি করে নিন।
  • – এই প্যাকটি চুলের গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত ভালো করে লাগিয়ে নিন এবং প্রায় ২ ঘণ্টা এভাবেই রেখে দিন।
  • – এরপর সাধারণ ভাবে চুল ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। যদি প্রথম দিন চুল পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে ১ দিন এভাবেই রেখে তার পরের দিন শ্যাম্পু করতে পারেন তাহলে সব চাইতে ভালো ফলাফল পাবেন।
  • – এই পদ্ধতিটি সপ্তাহে মাত্র ১ বার ব্যবহার করলেই চুল পড়া অনেকাংশে কমে যাবে।

ঘরে প্রচণ্ড মাছির উপদ্রব? জেনে নিন মাছির যন্ত্রণা দূর করার ৩ টি দারুণ উপায়!


এই মৌসুমে মাছি একটা বড় যন্ত্রণার নাম। বর্ষাকাল এলেই মাছির উপদ্রব বেড়ে যায়। এক তলা হোক বা ১০ তলা, মাছির উপদ্রব থেকে রেহাই পান না কেউ-ই। এই মাছি বহন করে অসংখ্য রোগের জীবাণু, যা কোনভাবে আপনার খাবার বা পানিতে লাগলেই মারাত্মক সব অসুখে আক্রান্ত হবেন আপনি। খাবার না হয় ঢেকে রাখলেন, কিন্তু মাচি ছোট শিশুদের শরীরেও বসে যার পরিনাম শিশুদের অসুস্থতা।
মাছি নাম যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া আসলে বেশ ঝামেলারই বটে। সারাক্ষণ দরজা জানালা বন্ধ করে বাঁচা যায় না। অন্যদিকে কীটনাশক ওষুধ স্প্রে করাও একেবারেই স্বাস্থ্য সম্মত নয়। তাহলে কী করবেন? আজ জেনে নিন ৩টি দারুণ উপায়। এই পদ্ধতিতে পরিবারের কারো স্বাস্থ্যের ক্ষতি না করেই মাছিকে ভাগিয়ে দিতে পারবেন আপনি!

পদ্ধতি-১

  • -এই কাজে প্রয়োজন হবে কেবল একটি পাটের দড়ি!
  • -এক টুকরো পাটের দড়ি পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
  • -ভালো মত ভিজে গেলে পানি নিংড়ে নিন। এমন ভাবে যেন পানি পড়ে আপনার ঘর নোংরা না হয়, কিন্তু দড়িটি ভেজা থাকে।
  • -এবার এমন ভেজা দড়ি ঘরের দরজা বা জানালায় বেঁধে দিন। যেসব ঘরে মাছির উপদ্রব বেশি, সেসব স্থানে বেশী করে দিতে পারেন। এইভেজা পাটের দড়ি মাছিকে আঁটি আকর্ষণ করবে যে সে দড়িতেই গিয়ে বসবে, আপনার খাবারে নয়। জানালায় বেঁধে রাখলে ঘরে ঢোকার মুখেই বাঁধা পাবে, দড়িতে আকর্ষণ খুঁজে পেয়ে আর ঘরে প্রবেশ করবে না।
  • -দড়ি শুকিয়ে গেলে ভিজিয়ে দিতে ভুলবেন না।

পদ্ধতি-২

মাছিরা লবঙ্গের গন্ধ পছন্দ করে না। ভালো মানের লবঙ্গ (যেগুলো থেকে নির্যাস বের করে নেয়া হয়নি) একটু থেঁতো করে আপনার ডাইনিং টেবিলে রাখুন। মাছি কাছে ঘেঁষবে না।

পদ্ধতি-৩

মাছি পুদিনা খুবই অপছন্দ করে। রান্নাঘর বা খাবার টেবিলে টব সহ পুদিনার গাছ রাখুন, মাছি থাকবে দূরে।