Monday, June 29, 2015

ব্রেক-আপ ঠেকানোর ১০টি সহজ উপায়

ইদানিং সম্পর্কগুলো যেমন সহজে গড়ে ওঠে, তেমন খুব সহজে ভেঙ্গেও যায়। অনেক সময় অনেক ছোট ছোট বিষয়ও আমাদের একটু অসতর্কতার কারনে বড় হয়ে ওঠে এবং যার পরিণতিতে একটি সুন্দর সম্পর্ক ভেঙ্গে যায় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে। কিন্তু ঝগড়া বা তর্ক হলেই যে তা ব্রেক আপের লক্ষণ তা কিন্তু নয়, তবে কিছু বিষয়ের ব্যাপারে আসলেই আমাদের সাবধান হওয়া উচিত। আপনারই জন্যে রইল কিছু টিপস ১. আপনার সঙ্গীকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন না আপনার সঙ্গী যেমন তাকে আপনি তেমনিভাবেই পছন্দ করেছিলেন।তাই তাকে আমূল বদলাতে চেষ্টা করবেন না। কারোর সঙ্গে তুলনাকরে বদলাতে বলবেন না। এতে আপনার সঙ্গীর মনে হীনম্মণ্যতা তৈরী হবে। আবার হয়তো একদিন তিনি বদলে যাবেন কিন্তু সেদিন হয়তো আপনার প্রয়োজনও তার কাছে ফুরিয়ে যাবে। ২. মনোযোগ দিয়ে সঙ্গীর কথা শুনুন আপনার সঙ্গীর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন।এতে তার অভিযোগ, ভালোলাগা, মানসিকতা, প্রত্যাশা সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পারবেন আপনি। আর সেই সাথে আপনাদের সম্পর্কও মজবুত হবে। ৩. সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তি নয় অনেক সময় একটি সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার জন্যে একজন বাইরের মানুষই যথেষ্ট। তাই চেষ্টা করুণ আপনাদের সম্পর্কের ব্যক্তিগত ব্যাপারে যতটা সম্ভব গোপনীয়তা বজায় রাখতে। ঝগড়া ঝাঁটি হলেই বাইরের কোন বন্ধুকে সমঝোতার জন্যে ডেকে আনবেন না। নিজেরা মেটান। ৪.পারিবারিক ব্যাপারে সতর্ক থাকুন শুধু নিজের পরিবারই নয়, গুরুত্ব দিন সঙ্গীর পরিবারকেও! নিজে যথেষ্ট পরিমাণে সংযুক্ত না থাকতে পারলেও খেয়াল রাখুন আপনার কারণে যাতে সঙ্গীর সাথে তার পরিবারের কোন দূরত্ব তৈরী না হয়। ৫. ঝগড়া দীর্ঘমেয়াদী হতে দেবেন না ঝগড়া একটি সম্পর্কে অনিবার্য। কিন্তু তাই বলে দীর্ঘদিন যাতে সেটি না গড়ায়। অল্প সময়ের ঝগড়া সম্পর্ককে মজবুত করে কিন্তু দীর্ঘমেয়াদের দূরত্ব (কথা বন্ধ রাখা, দেখা না করা) একটি সম্পর্ককে বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায়। ৬. বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে দিন আপনার সঙ্গী আপনার সাথে সময় কাটাবেন স্বাভাবিক। কিন্তু তাঁকে তার জগত থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন করে ফেলবেন না। সপ্তাহে অন্তত একটি দিন তাকে তার বন্ধুদের সাথে আলাদা সময় কাটাতে দিন। নিজেও নিজের বন্ধুদের সাথে সময় কাটান। আপনি তার সাথে সব সময় আঠার মত লেগে থাকলে তিনি অস্বস্তি বোধ করবেন। ৭. ঝগড়া দীর্ঘমেয়াদী হতে দেবেন না ঝগড়া একটি সম্পর্কে অনিবার্য। কিন্তু তাই বলে দীর্ঘদিন যাতে সেটি না গড়ায়। অল্প সময়ের ঝগড়া সম্পর্ককে মজবুত করে কিন্তু দীর্ঘমেয়াদের দূরত্ব (কথা বন্ধ রাখা, দেখা না করা) একটি সম্পর্ককে বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায়। ৮. অতীতের সম্পর্ক নিয়ে খোঁচাবেন না প্রত্যেকের জীবনেই একটি অতীত থাকে। হয়তো আপনি আপনার সঙ্গীর প্রথম প্রেম নন, কিন্তু তাই বলে কখনোই তার প্রথম প্রেম নিয়ে তাকে অযথা খোঁচাবেন না বা নিজের প্রথম ভালোবাসা নিয়ে ঝগড়া বিবাদের সময়েও তার সাথে তুলনা দিয়ে কথা বলবেন না। এতে তিনি যেমন বিরক্ত হবেন তেমনি আপনার মাঝেই নিরাপত্তাহীনতা নিজের অবচেতনেই তৈরী হবে। ৯. ব্যক্তিগত জিনিসে হাত দেবেন না আপনার সঙ্গীর ব্যক্তিগত ডায়েরী, মেইল, এসএমএস তার অনুমতি ছাড়া ঘাঁটবেন না। এতে আপনি তাকে ভুল বুঝতে পারেন। আর প্রত্যেকের একটি নিজস্ব জগত থাকে যা একান্তই তার। তার গোপন জিনিসের গোপনীয়তা বজায় রাখতে তাকে আপনিও সাহায্য করুন। ১০. অধিকার নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়, ছাড় দিতে শিখুন প্রত্যেকেই চান, তার সঙ্গী সবার আগে, সবকিছুর আগে, তাকেই প্রাধান্য দিক। কিন্তু তাই বলে আপনার সঙ্গী যদি মাঝে মাঝে তার অন্য কোন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন তবে সেটি নিয়ে ঝগড়া ঝাঁটি না করে বোঝার চেষ্টা করুন। যান্ত্রিক পৃথিবীতে মানবিক সম্পর্কগুলো ধরে রাখা দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাই যত্ন নিন আপনার সম্পর্কের। ভালো থাকুন যৌথতার জীবনে।

চিনে নিন তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বিশ্বসেরা ৫টি ফাউন্ডেশন


সুন্দর ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য প্রয়োজন সঠিক মেকআপ। আর সঠিক মেকআপের জন্য প্রয়োজন সঠিক কসমেটিকস এবং তার সঠিক ব্যবহার। মেকআপের একটি গুরুত্বপূণ অংশ হল ফাউন্ডেশন। ত্বকের ধরণ বুঝে বেছে নিতে হয় ফাউন্ডেশন। শুষ্ক, স্বাভাবিক ও মিশ্র ত্বকের জন্য ফাউন্ডেশন বেছে নেওয়াটা যতটা সহজ তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সেটা ঠিক ততটাই কঠিন। এই কঠিন কাজটা সহজ় করার জন্য জ়েনে নিন বিশ্ব বিখ্যাত ৫ টি ফাউন্ডেশন যা শুধু তৈলাক্ত ত্বকের জন্য প্রযোজ্য।
১। রিম্মেল লাস্টিং ফিনিশিং ফাউন্ডেশন (Rimmel Lasting Finish Foundation)
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য রিম্মেল লাস্টিং ফিনিশিং ফাউন্ডেশনটি খুবই উপকারী। ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত এটি ত্বকের ম্যাট লুক ধরে রাখে। ৭টি শেডের এই ফাউন্ডেশনটি ট্রান্সফারপ্রুফ হওয়ায় দীর্ঘসময় পর্যন্ত নিখুঁত স্কীন টোন দেয়।
২। ব্যারেমিনারেলস ম্যাট এসপিএফ১৫ ফাউন্ডেশন (Bareminerals Matte SPF15 Foundation)
লিক্যুইড ফাউন্ডেশনের চেয়ে পাউডার ফাউন্ডেশন তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বেশী কার্যকরী। ব্যারেমিনারেলস এর পাউডার ফাউন্ডেশনের ক্রিমি টেক্সচার ত্বকের সম্পূণ তেল শুষে না নিয়ে হালকা একটু তেলতেল ভাব রেখে দেয়। এতে ত্বক খুব বেশী ড্রাই ও দেখায় না আবার তেলে চিটচিটেও করে না। ব্যারেমিনারেলসের ২০টি শেডের ফাউন্ডেশন বাজারে পাওয়া যায়।
৩। ববি ব্রাউন লং ওয়্যার ইভেন ফিনিশ কম্প্যাক্ট ফাউন্ডেশন (Bobbi Brown Long-Wear Even Finish Compact Foundation)
বিশ্ব বিখ্যাত মেকআপ ব্র্যান্ড ববি ব্রাউনের লং ওয়্যার ইভেন ফিনিশ ফাউন্ডেশনটি ত্বকে ঝরঝরে লুক দেয়। আবার খুব বেশী ড্রাইও করে না ত্বককে। এর এসপিএফ সূর্য এর ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে থাকে। ১০টি নেচারাল শেডের ফাউন্ডেশন বাজারে পাওয়া যায়।
৪। লরা মার্চিয়ার অয়েল ফ্রি ফাউন্ডেশন (Laura Mercier Oil-Free Foundation)
আপনি যদি লিক্যুইড ফাউন্ডেশনে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন তবে এই ফাউন্ডেশনটি আপনার জন্য পারফেক্ট। এটি অয়েল ফ্রি হওয়ায় খুব সহজ়ে ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নেয়। ত্বককে আরও পলিস এবং স্মুথ করে তোলে।
৫। রেভলন কালার স্টে মেকআপ ফর অয়েলি স্কীন (Revlon ColorStay Makeup for Oily/Combination Skin) 
সারাদিনের জন্য কোথাও বেড়াতে যাচ্ছেন? অথবা মেকআপে থাকতে হবে লম্বা সময়? তাহলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন রেভলনের কালার স্টে ফাউন্ডেশনটি। তৈলাক্ত ত্বকের প্রধান সমস্যা হল কিছুক্ষণ পর মুখ তেলতেল হয়ে যাওয়া। রেভলনের সফটফ্লেক্স টেকনোলজি অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে মুখ আনে ন্যাচারাল একটা লুক। এসপিএফ ৬ সমৃদ্ধ ২০ টি শেডে রেভলন ফাউন্ডেশন বাজারে পাওয়া যায়।
রেফারেন্সঃ Top 5 Foundations for Oily Skin
www.womanandhome.com